মহানায়কের জন্ম শতবর্ষে নিউটাউনে আন্তর্জাতিকমানের ফিল্ম সেন্টারের উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর
মহানায়কের জন্ম শতবর্ষে নিউটাউনে আন্তর্জাতিকমানের ফিল্ম সেন্টারের উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু অধিকারীর। আজ জন্মাষ্টমীর পূণ্যতিথিতে বাংলার মহানায়ক উত্তম কুমারের স্মৃতিকে বাংলার মানুষ তথা গোটা বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে এই ফিল্ম সেন্টারের উদ্বোধন রাজ্য সরকারের। এক বর্ণাঢ্য সমাবেশের মাধ্যমে রাজকীয় পরিবেশে তারকা সমাবেশে এই ফিল্ম সেন্টারের ভূমিপুজো ও শিলান্যাস করলেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানকে ঘিরে চাঁদের হাট। আজ টলিউড দুনিয়া এক অভূতপূর্ব সাংস্কৃতিক জগতে প্রবেশ করল। মহানায়কের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে এই শুভ অনুষ্ঠানের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে এক সৃজনশীল জগতে সূচনা হল। এদিনের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে রয়েছেন মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল। রয়েছেন রঞ্জিত মল্লিক, মিঠুন চক্রবর্তী। রয়েছেন রূপা গাঙ্গুলি, রুদ্রনীল ঘোষ, যীশু সেনগুপ্ত, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, অর্জুন সিং, পূর্ণিমা চক্রবর্তী সহ মহানায়কের পুত্রবধূ মহুয়া চট্টোপাধ্যায়, নাতনী নবনীতা, বিশিষ্ট পরিচালক হরনাথ চট্টোপাধ্যায় সহ একাধিক গুণী ব্যক্তিত্ব।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে জন্মশতবর্ষে মহানায়ককে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর আয়োজন করেছে ‘শতবর্ষে মহানায়ক’। ৩ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর চার দিনের মূল আয়োজনের পাশাপাশি বছরজুড়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় কর্মসূচি ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, পুরনো ছবি পুনরুদ্ধার, প্রদর্শনী, আলোচনা, পদযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সংগীতের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছেও উত্তমকুমারের কাজ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা এই প্রকল্পে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি। এখানে উত্তমকুমারের ফিল্ম সেন্টার করা হবে। এই ফিল্ম সেন্টারের মধ্যে তিনটি অংশ রাখা হবে। ৭৫০ আসনের দুটি সিনেমা হল থাকবে। থাকবে গেমিং জোন, পার্কিং থাকবে। একহাজার আসনের অডিটোরিয়াম ও ওপেন এয়ার থিয়েটার থাকবে। এছাড়াও পোস্ট প্রোডাকশন ল্যাব, অ্যানিমেশন, ভিজুয়াল এফেক্ট, কমিকস, এক্সটার্নাল রিয়েলিটি ও স্টুডিও থাকবে।