পুজো কমিটিগুলিকে ১ লক্ষ টাকা অনুদান, মহালয়ার আগে উদ্বোধন নয়, স্পষ্টবার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদল ঘটেছে। বাংলায় সরকার গড়েছে বিজেপি। এবার বাংলায় বিজেপি সরকারের প্রথম দুর্গাপুজো।
এবার দুর্গাপুজোয় কি অনুদান মিলবে, এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ছিল। অনুদান পেলেও তা কত টাকা, আদৌ কি হবে কার্নিভাল! সেই সমস্ত জল্পনা অবসান ঘটালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার পুজো কমিটির সঙ্গে মিলন মেলা প্রাঙ্গণে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠক থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুজো কমিটিগুলিকে ১ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করলেন তিনি। দিতে হবে না বিদ্যুতে টাকা। একইসঙ্গে তাঁর স্পষ্টবার্তা মাতৃপক্ষের আগে কোনও পুজো উদ্বোধন করা যাবে না। অর্থাৎ মহালয়ার পরই হবে উদ্বোধন। হবে না কার্নিভাল। তবে সরকারের তরফে শারদ সম্মানের আয়োজন করা হবে।
উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজো ক্লাবগুলিকে অনুদান দেওয়া শুরু করেছিলেন। রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বড়ো ক্লাবগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে না। তবে দুর্গাপুজোর সময় এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে অনুদান নিয়ে।
সোমবার পুজো বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, সব ক্লাবকে অনুদান বাবদ দেওয়া হবে ১ লক্ষ টাকা। তবে বড়ো পুজো কমিটিগুলিকে উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘বড়ো বাজেটের কমিটিকে আবেদন, আপনারা আর্থিক সাহায্য নেবেন না। আপনাদের আমি ধন্যবাদ জানাব’। একইসঙ্গে তিনি জানান, অনুদানের জন্য কীভাবে আবেদন করতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এবারের পুজোয় বিদ্যুৎ ও দমকলের কোনও খরচ লাগবে না। গত কয়েকবছর বাংলায় পুজো উদ্বোধন হয়েছে আগেভাগেই। এবার শুভেন্দু স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মহালয়ার আগে কোনও পুজো উদ্বোধন হবে না। মহালয়ায় ইডেন গার্ডেনে মেগা শোর-এর মাধ্যমে পুজোর উদ্বোধন করা হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশ, ২৪ অক্টোবরের মধ্যে বিসর্জনের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। বিসর্জনে ব্যবহার করা যাবে না ক্রেন।