ব্রেকিং

ট্যাক্সি ভাড়া দিতে না পারায় যুবক খুন! ট্যাটু দেখে গ্রেফতার চালক সহ স্ত্রী ও পুত্র

Friday, 25 September 2026 at 19:49 Superadmin
Share
ট্যাক্সি ভাড়া দিতে না পারায় যুবক খুন! ট্যাটু দেখে গ্রেফতার চালক সহ স্ত্রী ও পুত্র


বন্দে মাতরম সংবাদ, নয়াদিল্লি:


দিল্লিতে হাড়হিম করা কাণ্ড! ১৫০০ টাকা ট্যাক্সি ভাড়া দিতে না পারার কারণে দিল্লিতে এক যুবককে খুনের অভিযোগ উঠেছে। নারাইয়না চকের কাছ থেকে যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। সেই জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে একটি ট্যাক্সিকে চিহ্নিত করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে।


পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত যুবকের পরিচয় জানার চেষ্টা করে তদন্তকারী অফিসারেরা। মৃতের হাতের একটি ট্যাটু নজরে আসে তাদের। সেখানে ‘লভ’ চিহ্নের ভিতরে লেখা ‘আনন্দ’। ঠিক তার পাশেই লেখা রয়েছে ‘রেণু’।

সেই সূত্র ধরে যুবককে শনাক্ত করার জন্য তাঁর ছবি পার্শ্ববর্তী অঞ্চলেও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তার পরেও কেউ ওই যুবককে শনাক্ত করতে আসেনি। ঘটনার পর দু’সপ্তাহ পার হয়ে যায়। মর্গে পড়ে থাকে যুবকের দেহ। পুলিশ নানা ভাবে চেষ্টা চালায় যদি কেউ শনাক্ত করতে আসেন ওই যুবককে।


এদিকে পুলিশ তার তদন্ত চালাতে থাকে। সিসিটিভি ফুটেজ ধরে ট্যাক্সিচালকের হদিশ পায় পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারা যায়, ওই যুবক তাঁর ট্যাক্সিতেই চেপেছিলেন। তাঁর সঙ্গে আরও একজন ছিলেন। দু’জনেই মত্ত অবস্থায় ছিলেন। তাঁদের মধ্যে এক জন সফদরজং হাসপাতালে নেমে যান। তিনি বলেছিলেন, ভাড়া দেবেন ওই যুবক। এদিকে কিছুদূর যেতেই ট্যাক্সিচালককে ওই যুবক বলেন, তার কাছে টাকা নেই, ভাড়া দিতে পারবেন না।


এদিকে ট্যাক্সিচালকও ওই যুবককে বলেন, টাকা দিতেই হবে। ওই যুবক তখন জানান, তাঁকে যেখানে খুশি নামিয়ে দিতে। কিন্তু টাকা না পেয়ে প্রচণ্ড রেগে যান ট্যাক্সিচালক রাজেন্দ্র। তিনি নিজের বাড়ির দিকে ট্যাক্সি ছোটান। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ট্যাক্সি থামান। তার পর দু’জনে ট্যাক্সি থেকে নামেন। রাজেন্দ্র ফের টাকা চান। কিন্ত টাকা না পেয়ে যুবককের মাথা ইট দিয়ে থেঁতলে দেন। তার পর দেহ ফেলে দেন। এ কাজে তাঁদের সহযোগিতা করেন স্ত্রী এবং পুত্র।

ঘটনার প্রায় দু’সপ্তাহ পর পুলিশ জানতে পারে একটি নিখোঁজ ডায়েরি হয়েছে। সেই সূত্রে অভিযোগকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। জানা যায়, অভিযোগকারী ওই যুবকের স্ত্রী। তাঁর নাম রেণু। আর যুবকের নাম আনন্দ।


উত্তরাখণ্ড থেকে কাজের খোঁজে এখানে এসেছিলেন আনন্দ। তিনি তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে থাকছিলেন। ঘটনার দিন একটি পানশালায় গিয়ে মদ্যপান করেন। আনন্দকে খুনের অভিযোগ ট্যাক্সিচালক রাজেন্দ্র এবং তাঁর স্ত্রী ও পুত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ