ব্রেকিং

পাকসেনা কনভয়ে বালোচিস্তানের জোড়া হামলা, উড়িয়ে দেওয়া হল সামরিক যান, নিহত ২৫ সেনা জওয়ান!

Saturday, 5 September 2026 at 17:40 Superadmin
Share
পাকসেনা কনভয়ে বালোচিস্তানের জোড়া হামলা, উড়িয়ে দেওয়া হল সামরিক যান, নিহত ২৫ সেনা জওয়ান!

ফের বালোচ-পাকিস্তান উত্তেজনা। পাক সেনার কনভয়ে হামলা, ২৫ জন সেনা নিহত বলে খবর। বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) দাবি করেছে, দুটি পৃথক হামলায় মোট ২৫ জন পাকিস্তানি সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। তিনটি সামরিক যান ধ্বংস হয়েছে। বিএলএ-এর দাবি অনুযায়ী, জিয়ারত ক্রস এলাকায় সেনার একটি কনভয়ে হামলায় ১৮ জন নিহত হয়েছেন, আর দুটি সামরিক যান ধ্বংস করা হয়। পরে সুরাবের হাজিকা এলাকায় আরেকটি হামলায় আরও সাত সেনা নিহত হওয়ার দাবি করেছে সংগঠনটি। তবে পাকিস্তান সরকার বা সেনাবাহিনী এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে খবরের কোনও সত্যতা নিয়ে জানায়নি। বালোচিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। পাক নিরাপত্তা বাহিনী ও বালোচ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘাত চলছে। নতুন এই হামলার ঘটনায় প্রদেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ফের উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

হামলার একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করে বিএলএ-এর মিডিয়া শাখা ‘হাক্কাল’। ভিডিওতে দেখা গেছে পাক সেনার একটি গাড়ি আগুনে জ্বলছে। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে আছে দেহ। সেই গাড়ি ঘিরে উল্লাস করছেন বালোচ লিবারেশন আর্মির সদস্যরা। অপর একটি দৃশ্যে দেখা যাচ্ছে, সশস্ত্র যোদ্ধারা সেনাবাহিনীর ট্রাক থেকে অস্ত্রশস্ত্র লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। তবে এই ভিডিও’র সত্যতা যাচাই করেনি বন্দে মাতরম ডিজিটাল ডেস্ক।

বালোচের পালটা জবাবে পাক সেনার দাবি, অভিযানে প্রায় ৫০ বালোচ বিদ্রোহীকে খতম করা হয়েছে। মাস্তুং, সিব্বি, কোয়েটা ও কালাতে বিএলএ-র ঘাঁটিতে অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

হামলার পরেই বালোচ লিবারেশন আর্মির মুখপাত্র জিয়ন্দ বালোচ এক বিবৃতিতে দাবি করেন, জিয়ারত ক্রস এলাকায় দিয়ে পাক সেনা জওয়ানদের একটি কনভয় যাচ্ছিল। সেই সময়ে দু’টি গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায় তাঁদের ‘ফতেহ স্কোয়াড’ শাখা। হামলায় ১৮ জন জওয়ানের মৃত্যু হয়। একই সঙ্গে সুরাবের হাজিকায় ‘স্পেশাল ট্যাকটিক্যাল অপারেশনস স্কোয়াড’ (এসটিওএস) পাক সেনার আরও একটি কনভয় বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি। এই হামলায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বালোচিস্তানে সেনা এবং বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ নতুন নয়। পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানিয়ে আসছে তারা। তবে বালোচের এই হামলার পাক প্রশাসনের উপর বাড়তি চাপ তৈরি করল।