kolkata High Court: নন্দীগ্রামে উপ নির্বাচনে লড়াই করবেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান? কী নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের?
বন্দে মাতরম, সংবাদ: নন্দীগ্রামে উপ নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান কাণ্ডে নয়া মোড়। কলকাতা হাইকোট জানিয়েছে, মিলন প্রধান জামিন পেলে তিনি তাকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেওয়া উচিত। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্ট পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে যেন নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন তা নিশ্চিত করা হয়। সেইসঙ্গে আদালতের শর্ত হল, যেসব ফৌজদারি মামলায় তাঁকে গ্রফতার করা হয়েছে, সেগুলিতে তাঁকে জামিন পেতে হবে।
২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম-সংক্রান্ত ঘটনায় জারি হওয়া চারটি জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার প্রক্রিয়ায়, শনিবার হলদিয়া মহকুমা আদালত প্রধানকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে।
সোমবার কাঁথি আদালত কংগ্রেস প্রার্থীকে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত। মামলাটি প্রায় দুই দশক আগে 'আর্মস অ্যাক্ট' বা অস্ত্র আইনের অধীনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল।
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। প্রচার শেষ হবে ৪ অক্টোবর এবং ভোট গণনা হবে ৯ অক্টোবর।
মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন যে, তিনি কাঁথি আদালতের নির্দেশকে কলকাতা হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করবেন।
সোমবার হাইকোর্টে মিলন প্রধানের দায়ের করা একটি আবেদনের শুনানি হচ্ছিল, যেখানে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে নথিভুক্ত ছয়টি মামলায় কঠোর পদক্ষেপ থেকে সুরক্ষা চেয়েছিলেন। রাজ্য আদালতকে জানায় যে, এর মধ্যে পাঁচটি মামলা পূর্ববর্তী সরকার প্রত্যাহার করে নিয়েছিল এবং ষষ্ঠ মামলাটিতে প্রধানকে আর প্রয়োজন নেই।
প্রধানের আইনজীবী আদালতে যুক্তি দেন যে, ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামে জমি অধিগ্রহণ-বিরোধী আন্দোলনের সময় দায়ের করা মামলার জেরে তাঁকে ১৮ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা হয়। তবে তা করা হয়েছিল কেবল তখনই, যখন উপনির্বাচনের জন্য কংগ্রেস প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল গোষ্ঠীর সমর্থন লাভ করেন।
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য মৌখিকভাবে রাজ্যের প্রতিনিধিত্বকারী অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদারকে বলেন যে, জামিন পেলে প্রধানকে যাতে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।