Shuvendu Adhikari: ‘বিহার থেকে বাঘিনী এল বক্সায়’, ২০২৯-এর মধ্যে বাঘের বিচরণক্ষেত্র তৈরির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
অনন্যা দে, আলিপুরদুয়ার: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে শুক্রবার বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে প্রকৃতিতে উন্মুক্ত করা হল বিহারের বাল্মীকি টাইগার রিজার্ভ থেকে আনা বাঘিনীকে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র সিং যাদব, বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওঁরাও এবং বন দফতরের আধিকারিক ও কর্মীদের উপস্থিতিতে বাঘিনীটিকে জঙ্গলে ছাড়া হয়।
বাঘিনীকে জঙ্গলে ছাড়ার পর এদিন সড়কপথে আলিপুরদুয়ারের প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে সভায় তিনি জানান, আলিপুরদুয়ারের বক্সা এবং অসমের মানস জাতীয় উদ্যানকে মিলিয়ে প্রায় ২০০০ একর জমি চিহ্নিত করে বিশ্বমানের ফরেস্ট ট্যুরিজম ডেস্টিনেশন গড়ে তোলা হবে। কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশমন্ত্রীর পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৯ সালের মধ্যে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প বাঘের বিচরণক্ষেত্র হয়ে উঠবে।’ আগের সরকার বক্সা নিয়ে কোনও কাজ করেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরই বক্সায় বাঘিনী আনার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে।
অন্যদিকে, অরণ্য ও পরিবেশ রক্ষার প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘নদী থেকে বালি-পাথর লুঠ, গাছ কাটা এবং বন্যপ্রাণী হত্যার মতো ঘটনা বন্ধ করে এবার প্রকৃতিকে সমৃদ্ধ করার কাজ হবে।’ জলদাপাড়া ও বক্সার জঙ্গলে বন্যপ্রাণীরা নিরাপদে বিচরণ করবে বলেও জানান তিনি।
আগামী ১৫ নভেম্বর জনজাতি গৌরব দিবসে ফের আলিপুরদুয়ারে আসার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি চা-বাগানগুলি ধীরে ধীরে খোলার উদ্যোগ চলছে এবং চা শ্রমিকদের জন্য কেন্দ্র থেকে ৩১২ কোটি টাকা বরাদ্দ আনা হয়েছে বলেও সভায় জানান তিনি।