ব্রেকিং

'অহংকারের পতন’, তৃণমূলের প্রতীক আর দলের নাম নিয়ে কমিশনের নির্দেশের পরেই কটাক্ষ শুভেন্দুর

Friday, 18 September 2026 at 20:14 Superadmin
Share
'অহংকারের পতন’, তৃণমূলের প্রতীক আর দলের নাম নিয়ে কমিশনের নির্দেশের পরেই কটাক্ষ শুভেন্দুর


বন্দে মাতরম সংবাদ: উপ নির্বাচনে তৃণমূলের দুই শিবির নিয়ে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নির্বাচন কমিশন এই মুহূর্তে মমতা ও ঋতব্রত শিবিরের জন্যই দলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করে দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর তীব্র কটাক্ষ, এটা অহংকারের পতন।


সামনেই উপ নির্বাচন। তার ঠিক আগেই জোড়া ধাক্কা খেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে আপাতত দলের নাম, প্রতীক কিছুই ব্যবহার করতে পারবেন না দুই শিবির।

কমিশনের নির্দেশ, দুই শিবিরই ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটি ব্যবহার করতে পারবে না। ফলে আসন্ন উপ নির্বাচনের আগে দলের প্রতীক নিয়ে সংকটে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল ও ঋতব্রত শিবির। এবার তাদের বেছে নিতে নতুন প্রতীক। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ প্রকাশ্যে আসতেই কড়া মন্তব্য করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।


ছাব্বিশের নির্বাচনে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে জোর টক্কর শুরু হয়েছিল। জ্ঞানেশ কুমার একসময় ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলেও কটাক্ষ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ তাঁর নিজের দলই ভ্যানিশ হয়ে গেল কি না, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপরই আস্থা রাখার কথা বলেন। একইসঙ্গে দলের এই ভগ্নদশার জন্য মমতার চূড়ান্ত ব্যর্থতাকেই দায়ী করলেন শুভেন্দু অধিকারী।

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, দলের এই ভাঙনে বিজেপির কোনও ভূমিকা নেই। পাশাপাশি তিনি বলেন, দেখুন আমি এগুলো নিয়ে কিছু বলব না। ইলেকশন কমিশনের সিদ্ধান্ত ইলেকশন কমিশন তার নিয়ম মেনে, সব পক্ষের কথা শুনেছে। তিনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) তাঁর দলকে একজোট রাখতে পারেননি। দলের মধ্যে তিন ভাগ, চার ভাগ হয়েছে, তার দায়-দায়িত্ব তাঁরই। এতে বিজেপির সরাসরি কোনও রোল নেই।


বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শুভেন্দু বলেন, ‘আমি একটা কথা বলি, আমি নির্বাচনের দিন, গণণার দিন, রাতে হলদিয়াতে মিড নাইটে বলেছিলাম, আর যেই থাকুক, এরা থাকবে না’।

এরপরই সংস্কৃত প্রবাদের উল্লেখ করে দম্ভ এবং অহঙ্কারের পতনের কথা বলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘তার কারণটা হচ্ছে, অতি দর্পে হতা লঙ্কা, অতি মানে চ কৌরবাঃ। দম্ভ যার হবে, সেই দম্ভের চূর্ণ ভগবান করে দেন । সর্বশক্তিমান আছেন।’

মমতার দলের এই অবস্থার জন্য ধর্মের প্রতি অবমাননাকেই অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।


তাঁর মতে, ভগবান রামচন্দ্রের অভিশাপেই আজ এই পরিণতিতে ঘাসফুল শিবিরের। মুখ্যমন্ত্রী একের পর এক সমালোচনা করে বলেন, ‘হিন্দু ধর্মকে গন্ডা ধর্মা বলা, মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলা আর রামমন্দির উদ্বোধনের দিন রামমন্দির মানি না বলে মিছিল করা। ভগবান পুরুষোত্তম রামচন্দ্র মহারাজের অভিশাপে সব ধবংস হয়ে গেছে’।