ভাগীরথীর পাড় ভাঙনের কবলে শিবতলা ফেরিঘাট সহ একাধিক গ্রাম
বন্দে মাতরম সংবাদ, নদিয়া: পুজোর আগেই বড়োসড়ো ভাঙনের কবলে শিবতলা ফেরিঘাট সহ সংলগ্ন এলাকা। পাড় ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক গ্রাম। চাকদা বিধানসভার পোড়াডাঙা মুকুন্দনগর প্রভৃতি এলাকা পর্যবেক্ষণের পর এলাকাবাসীর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন বিধায়ক বঙ্কিম চন্দ্র ঘোষ। অবস্থা এতটাই ভয়ানক অবস্থায় পৌঁছেছে যে এখানকার তিনটে দোকান সরাতে হয়েছে। ভাঙনের ফলে গঙ্গা বক্ষে বিলীন হয়ে গেছে ফেরিঘাটের অফিস। এলাকার চাষবাস সব শিকেয় উঠেছে, এমনিতেই এই এলাকা সংলগ্ন সান্যাল চর এলাকায় তিন থেকে চারটি দুর্গাপুজো হয়। ফলে আসন্ন দুর্গাপুজোয় আনন্দ নেই স্থানীয়দের মনে।
ভাগীরথীর ভাঙনে দিশাহারা নদিয়ার চাঁদুরিয়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পোড়াডাঙা, মুকুন্দনগর এবং চাঁদুরিয়া দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন সান্যালচর, বাবু পাড়া সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। গত কয়েক দিনের ভাঙনে চাষের জমি এবং ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে।
ভাগীরথীর এই ভাঙন নিয়ে সতর্ক রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। গত দুদিন আগে চাঁদুরিয়া দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মালোপাড়ায় বেশ খানিকটা অংশের ভাঙন লক্ষ্য করা গেছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন বিগত কুড়ি বছর ধরে ওই এলাকায় একের পর এক ভাঙনের ফলে বহু মানুষ অন্যত্র চলে গেছে, আর যারা এখনও পর্যন্ত যেতে পারেনি ভিটেমাটি আগলে পড়ে রয়েছেন।
কল্যাণী ব্লকের চাঁদুরিয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ১৩টি সংসদ ছিল, বর্তমানে পাঁচটিতে এসে দাঁড়িয়েছে। সাহাপাড়া, মালো পাড়া, বিশ্বাস পাড়া সহ বহু গ্রাম আজ নদিয়ার মানচিত্র থেকে মুছে গেছে। স্কুল, ব্যাংক, পোস্ট অফিস সবই ছিল এই এলাকায়, এখন সবই অতীত।