ব্রেকিং

Rishra Sebasadan: পুজোর আগেই খুলছে রিষড়া সেবাসদন, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন বিজেপি নেতৃত্বের

Thursday, 1 October 2026 at 18:11 Superadmin
Share
Rishra Sebasadan: পুজোর আগেই খুলছে রিষড়া সেবাসদন, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন বিজেপি নেতৃত্বের
Rishra Sebasadan

সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়, হুগলি: পুজোর আগেই ফের চালু হতে চলেছে রিষড়া সেবাসদন হাসপাতাল। প্রাথমিক ভাবে সীমিত সংখ্যক শয্যা নিয়ে পরিষেবা শুরু হলেও আগামী এক বছরের মধ্যে হাসপাতালটিকে পূর্ণাঙ্গ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালটি চালুর অপেক্ষায় থাকা রিষড়া শিল্পাঞ্চলের বাসিন্দাদের কাছে এই উদ্যোগ তাই নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।


বিজেপির শ্রীরামপুর ৫ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি বিশ্বজিৎ সিংহের দাবি, আগামী ১৫ তারিখের মধ্যেই হাসপাতালটি চালু হয়ে যাবে। তাঁর কথায়, ‘আবার নতুন করে রিষড়া সেবাসদন চালু হওয়া একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।’ 

হাসপাতাল চালুর উদ্যোগের জন্য শ্রীরামপুরের বিধায়ক তথা শ্রম প্রতিমন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্যকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।


পুরসভার নোডাল অফিসার অসিতাভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘রিষড়া সেবাসদন চালু হওয়া দলমত নির্বিশেষে এলাকার মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, অতীতে একাধিকবার হাসপাতাল খোলার প্রতিশ্রুতি মিললেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। এ বার অবশ্য হাসপাতালটি চালু হওয়ার বিষয়ে তাঁরা আশাবাদী।’


অসিতাভবাবুর বক্তব্য অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিধায়ক তথা শ্রম প্রতিমন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য এবং পুরসভার প্রশাসক মধুমিতা ঘোষের উদ্যোগে হাসপাতালটি ফের পরিষেবায় ফিরছে। প্রথম পর্যায়ে অল্প কয়েকটি শয্যা দিয়ে পরিষেবা শুরু হবে। পরিকাঠামো সম্পূর্ণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এক বছরের মধ্যে সেটিকে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল প্রস্তুত হলে মুখ্যমন্ত্রীকে দিয়ে উদ্বোধনের পরিকল্পনাও রয়েছে।


বিশ্বজিৎ সিংহের অভিযোগ, আগের সরকারের আমলে হাসপাতালটির উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের উদ্যোগেই কয়েক মাসের মধ্যে হাসপাতাল পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া গতি পেয়েছে। তবে হাসপাতাল চালুর পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুপার স্পেশালিটি পরিকাঠামো, চিকিৎসক, নার্স, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং নিয়মিত পরিষেবা নিশ্চিত করাই এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের মূল প্রত্যাশা।