নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক চাপানউতোর! মমতার সমর্থনের পরেই গ্রেফতার কংগ্রেস প্রার্থী
বন্দে মাতরম, সংবাদ: নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য। পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই উপ নির্বাচনের ঠিক প্রাক্কালে ভোটের সমীকরণ ও রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে।
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা দে প্রধান নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে তাকে প্রার্থী করেছিল মমতা শিবির। শুক্রবার হলদিয়ার মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে নিজের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করেন সঞ্চিতা দে।
প্রত্যাহারের আগেই সঞ্চিতা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তবে কেন তিনি পদ প্রত্যাহার করলেন, তা নিয়ে এখনও কোনও রাজনৈতিক ব্যাখা পাওয়া যায়নি।
সঞ্চিতা প্রধান দে প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তাঁর শিবির কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করবে। অর্থাৎ এই কেন্দ্রে মমতা-শিবিরের আলাদা কোনও প্রার্থী থাকছে না। আর এর পরেই মিলন প্রধানের গ্রেফতারের ঘটনা সামনে এল।
এদিকে মিলন প্রধানের গ্রেফতারি নিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা একটি পুরনো খুনের মামলার তদন্তে নতুন সূত্র ধরে এই গ্রেফতারি করা হয়েছে। সামনেই নির্বাচন, আর ঠিক এমন একটি সময়ে দলের প্রার্থীর গ্রেফতারে অস্বস্তিতে পড়েছে কংগ্রেস শিবির। বিরোধী দলগুলি এই সুযোগে শাসক ও কংগ্রেস উভয়কেই নিশানা করার সুযোগ হাতছাড়া করছে না। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই ভোটের আগে তাদের প্রার্থীকে ফাঁসানো হচ্ছে। অন্যদিকে, নিরপেক্ষ তদন্ত ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি। এই ঘটনায় নির্বাচনী ময়দানে কংগ্রেসের প্রচার ও কৌশল প্রভাব পড়তে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।