‘জোড়া ফুল’ নাম ও প্রতীক পেল না কোনও পক্ষই, এবার কী করবে ‘কালীঘাটপন্থী’ ও ‘ঋত শিবির’?
বন্দে মাতরম সংবাদ: কমিশনের তরফে ইঙ্গিত আগেই ছিল, আর সেটাই সত্যি হল। কোনও পক্ষই দলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না দুই ‘কালীঘাটপন্থী তৃণমূল’ ও ‘ঋতব্রত তৃণমূল’। ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম দলের পরিচিত ‘ফুল ও ঘাস’ প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। নির্বাচনের কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশ শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যেই দুটি শিবিরকেই তিনটি করে বিকল্প নাম ও প্রতীকের প্রস্তাব দিতে বলা হয়েছে। উপনির্বাচনের ময়দানে নতুন নাম ও পরিচয় নিয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নামতে হবে। কমিশনের এই সিদ্ধান্ত স্থায়ী নয়। আসন্ন উপ নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে নাম ও প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। দুই পক্ষের দাবিদাওয়া, সাংগঠিক সমর্থন ও সংশ্লিষ্ট নথি খতিয়ে দেখার পর দলের নাম প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।
এদিকে কমিশনের এই নির্দেশের পর মমতা শিবিরের বোঝাতে চাইছে দলের প্রতীক বদলালে রাজনৈতিক দলের মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ে কুণাল ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে দুর্গার ত্রিনয়ন যুক্ত ছবির সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘দিদিই লড়াই। দিদিই প্রতীক।’ অর্থাৎ জোড়াফুল মানে দলের প্রতীক না থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই সব। মমতাকে সামনে রেখে ভোটের ময়দানে লড়াই চলবে।
উপনির্বাচনের জন্য নতুন লড়াই নাম ও প্রতীক নিয়ে। কিন্তু তার পিছনে রাজনৈতিক চাপানউতোর চলবে। সেই সঙ্গে তৃণমূলের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও জোড়াফুলের চূড়ান্ত অধিকার কার হাতে থাকবে সেটাই এখন বড়ো প্রশ্ন। কারণ অন্তবর্তী নির্দেশ সেই প্রশ্নের নিষ্পত্তি করেনি। উপ নির্বাচন হয়ে গেলে নাম ও প্রতীক নিয়ে সেই লড়াই কমিশন থেকে আদালত পর্যন্ত গড়াতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের ইঙ্গিত।