Land slide Kerala: ভারী বৃষ্টি ও হড়পা বানে বিধ্বস্ত কেরালা, মৃত ৬ , নিখোঁজ বহু
বন্দে মাতরম, সংবাদ- ভারী বৃষ্টি ও হড়পা বানে বিধ্বস্ত কেরালা। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ইদ্দুকি। দুর্গত এলাকা থেকে মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে সরানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে এক ভাই-বোন। নিখোঁজ একাধিক। শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও স্থানীয় মানুষ একযোগে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে।
মুখ্যমন্ত্রী ভি ডি সতীশন আজ মালাপ্পুরম জেলার পুক্কোট্টুমপাদমের টিকে কলোনি পরিদর্শন করবেন, যেখানে বৃষ্টিজনিত ঘটনায় পাঁচজন ছয়জন হারিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী এই মর্মান্তিক ঘটনায় মৃত ব্যক্তিদের উদ্দেশে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেছেন।
সোমবারও কেরালার বিভিন্ন অংশে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। এর জেরে একাধিক এলাকায় ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ইদুক্কি ও মাল্লাপুরম। রবিবার মুন্নার-ভাট্টাভাদা অঞ্চলে ভূমিধসের পর, আদিমালির পালামপল্লিচালে আরও একটি বড় ভূমিধস দেখা দেয়। সেখানে ধ্বংসস্তূপ ও বন্যার জল আসার ঠিক আগেই পাঁচটি পরিবার অন্য বাড়িতে চলে যাওয়ায় অল্পের জন্য রক্ষা পায়। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি থেকে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে। যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে পালিসাক্কাল্লুর এলপি স্কুলে ত্রাণ শিবিরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভূমিধসের আশঙ্কার কারণে পাজাম্বাল্লিচাল থেকে পরিবারগুলোকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাহাড়ি অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যে ঘটা এই সর্বশেষ ঘটনাগুলোর ঠিক একদিন আগেই ভাট্টাভাদার কোট্টাকাম্বুরে ভূমিধসে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু হয় এবং এক মহিলা আহত হয়েছে।
ইদুক্কি জেলার দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী অনুপ জ্যাকব জানিয়েছেন, আগের দিনের বৃষ্টিজনিত ঘটনায় জেলায় দুজন মারা গেছেন। একজন আহত হয়েছেন, তবে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। বর্তমান আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে পর্যটকদের এই জেলায় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, রাজ্যজুড়ে সক্রিয় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। ফলে কেরালা ও লাক্ষাদ্বীপের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় মালাপ্পুরম জেলার চোক্কাদ-নিলাম্বুর এলাকায় কোট্টাপ্পুঝা নদীতে আকস্মিক বন্যায় বেশ কয়েকজন মানুষ ভেসে গেছেন। রাজ্য সরকার ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এনডিআরএফ) ও অন্যান্য সংস্থার সহায়তায় উদ্ধারকাজ শুরু করেছে।