শুরু হচ্ছে কবি সুভাষ মেট্রো পরিষেবা! কী জানাচ্ছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ?
বন্দে মাতরম, সংবাদ: গড়িয়াবাসীদের জন্য সুখবর। আর মাত্র কিছুদিনের অপেক্ষা, তার পরেই কবি সুভাষ মেট্রো চলাচল শুরু হতে চলেছে! সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে নতুন বছরের ১ জানুয়ারি যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে এই স্টেশন। এমনটাই লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছে রেলবোর্ড। সেইমতোই দ্রুতগতিতে কাজ এগোচ্ছে। তবে দু’মাস ধরে প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টির কারণে নতুন স্টেশন তৈরির কাজ বাধা পাচ্ছে।
মেট্রোকর্তারা জানাচ্ছেন, রেলবোর্ডের তরফেই ১ জানুয়ারি দিনটি এই স্টেশন চালুর জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এই মধ্যেই কাজ শেষ করে পরিষেবা শুরুর জন্য দিনরাত এক করে কাজ চলছেন কর্মীরা।
এক আধিকারিকের কথায়, এই স্টেশন বন্ধ থাকার কারণে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে মানুষ। এর প্রভাব পড়েছে অরেঞ্জ লাইনের মেট্রোতে। যাত্রীর সংখ্যা কমেছে। কারণ প্রায় সওয়া এক বছর নিউ গড়িয়া-বেলেঘাটা রুটে ফাঁকা ট্রেন চালাতে লোকসান বেড়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষের।
কারণ বেশিরভাগ যাত্রীই এই লাইনের মেট্রোতে উঠতেন নিউ গড়িয়া থেকে। সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়াতেই যাত্রীর সংখ্যা কমেছে বেলেঘাটা পর্যন্ত পরিষেবাতে। তাই সবদিক বিচার করেই এই বছরের শেষেই স্টেশন তৈরির কাজ শেষ করতে চাইছে কর্তৃপক্ষ।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৮ জুলাই থেকে বন্ধ ব্লু লাইনের কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন। প্ল্যাটফর্মের পিলারে ফাটল সহ একাধিক পরিকাঠামোগত সমস্যার কারণে গোটা স্টেশনটি ভেঙে নতুন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই সময় জানানো হয়, আট-নয় মাসের মধ্যে নতুন করে স্টেশন তৈরি করা হবে। কিন্তু কাজ সম্পন্ন হয়নি। ফলে ব্লু লাইনের দক্ষিণ প্রান্তের শেষ স্টেশন হিসেবে এই মেট্রো স্টেশনটি গড়িয়ার বিস্তীর্ণ এলাকার সংযোগের মাধ্যম। প্রচুর মানুষের যাতায়াত। স্টেশন বন্ধ থাকায় ভোগান্তি বেড়েছে। নিকটবর্তী মেট্রো স্টেশন শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দুবার অটো বদল করতে হয়। ফলে সময় চলে যাচ্ছে আর খরচও বাড়ছে।
মেট্রোকর্তারা জানাচ্ছেন, স্টেশন তৈরির জন্য আন্ডারগ্রাউন্ড পাইলিংয়ের কাজ ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। এখনও কাজ বাকি। রেলবোর্ড চাইছে যাত্রীদের নতুন বছরেই সুখবর দিতে। কাজ দ্রুত শেষ করতে অতিরিক্ত কর্মীও নিয়োগ করা হয়েছে। তবে বৃষ্টির কারণে কাজ যতটা দ্রুততার সঙ্গে করা সম্ভব হত, সেটি হচ্ছে না।