ব্রেকিং

Junput Missile Testing Center: শত্রুরা সাবধান! প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বড়ো পদক্ষেপ বাংলার, জুনপুটে গড়ে উঠবে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্র

Monday, 14 September 2026 at 17:56 Superadmin
Share
Junput Missile Testing Center: শত্রুরা সাবধান! প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বড়ো পদক্ষেপ বাংলার, জুনপুটে গড়ে উঠবে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্র
Missile

বন্দে মাতরম বাংলা: দেশের প্রতিরক্ষা পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করতে বিরাট পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্র সরকার (Central Government)। এবার বাংলাতেও নতুন ক্ষেপণাস্ত্র (Missile) ও অস্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্র গড়ে উঠতে চলেছে। ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য সরকার (State Government) । এই প্রকল্পের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে মেদিনীপুরের (Midnapore) জুনপুটকে (Junput)।

প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO)-র এই প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Cm Shuvendu Adhikari) । তাঁর দাবি, এই প্রকল্প রাজ্যের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। ফলে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দেশের মানচিত্রে গুরুত্ব বাড়বে বাংলার।


২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ওড়িশার চাঁদিপুরে থাকা ইন্টিগ্রেটেড একটি নতুন পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিল DRDO। তবে অভিযোগ, তৎকালীন তৃণমূল সরকার এই প্রকল্পের জন্য জমি দেয়নি।

শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানে বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, DRDO-র পক্ষ থেকে এই প্রকল্প নিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন সরকার সেই চিঠির কোনও জবাব দেয়নি।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, তিনি এই প্রকল্পের জন্য অনুমোদন দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের জন্য এটি একটি বড়ো প্রকল্প হবে।

DRDO-র একটি সূত্রও বাংলায় এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরির প্রকল্পের কথা নিশ্চিত করেছে বলেছে বলে খবর।


প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, ওড়িশায় অবস্থিত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা কেন্দ্রটির ওপর দীর্ঘদিনের নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার পথে এগোচ্ছে নয়াদিল্লি। চাঁদিপুরের ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ (ITR) এবং ওড়িশা উপকূলের অদূরে অবস্থিত ড. এপিজে আবদুল কালাম দ্বীপ কয়েক দশক ধরে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক ক্ষেপনাস্ত্র কর্মসূচির প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে।


এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তায় কথায়, জুনপুট কেন্দ্রটি প্রায় ৭৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চণ্ডীপুর টেস্ট রেঞ্জেই একটি সম্প্রসারিত অংশ হিসেবে কাজ করবে। তবে সেখানে কী ধরনের অস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হবে, সেই বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

ওড়িশার চাঁদিপুরের পরীক্ষাকেন্দ্রগুলির পাশাপাশি অন্ধ্রপ্রদেশে প্রস্তাবিত পরীক্ষাকেন্দ্রের সঙ্গে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গত বছর অন্ধ্রের নাগায়ালঙ্কায় প্রায় ১,৪৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ‘নবদুর্গা’ মিসাইল-টেস্ট রেঞ্জের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।


তবে, প্রস্তাবিত জুনপুট কেন্দ্রটির অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটি ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় পরীক্ষাকেন্দ্রের সঙ্গে উপকূলীয় উৎক্ষেপণ ও ট্র্যাকিংয়ের আরও একটি কেন্দ্র যুক্ত করবে। ওড়িশার চাঁদিপুর ও ড. এ পি জে আব্দুল কালাম দ্বীপ—উভয় স্থান থেকেই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য সমুদ্র-ভিত্তিক ফ্লাইট করিডোর বা আকাশপথ সরাসরি ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।