Shuvendu Adhikari: ‘মুখ্যমন্ত্রীর উপরে ভরসা রাখুন, অবশ্যই সংকল্পপত্রের প্রতিশ্রুতি রাখব’ পুরুলিয়া থেকে বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর
বন্দে মাতরম, সংবাদ- আজ পুরুলিয়া জুড়ে খুশির আমেজ। করম পুজো ঘিরে সেজে উঠেছে আদিবাসী সমাজ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে সামনে পেয়ে আপ্লুত সকলেই।
আজকের করম পরবে উপস্থিত থাকার জন্য অনেক আগেই মুখ্যমন্ত্রীকে কুড়মি সমাজের তরফে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
প্রায় মাস খানেক আগে নবান্নে তাঁর সঙ্গে দেখা করে আমন্ত্রণপত্র তুলে দিয়েছিলেন আদিবাসী কুড়মি সমাজের মূল মানতা, অজিত মাহাতো, বিধায়ক বিশ্বজিৎ মাহাতোরা। তখনই শুভেন্দু অধিকারী তাঁদের যাওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। সেইমতো রবিবার কলকাতা থেকে আকাশপথে অন্ডাল হয়ে পুরুলিয়ার কড়াডি ময়দানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় ৪০ হাজার মহিলা মুখ্যমন্ত্রীকে ঝুমুর নাচের মাধ্যমে স্বাগত জানান। কুড়মিদের ঐতিহ্যবাহী হলুদ পাগড়ি ও উত্তরীয় পরিয়ে তাঁকে মঞ্চে বরণ করে নেন অজিত মাহাতো, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, বিশ্বজিৎ মাহাতো, সুদেশ মাহাতোরা।
আদিবাসী সম্প্রদায়ের উদ্দেশে একাধিক বার্তা দিলেন তিনি। কোটি কোটি টাকা উন্নয়নের পাশাপাশি আজ আদিবাসী আন্দোলনের কথাও শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর মুখে। এমনকি কুড়মালি ভাষাকে অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গের আদিবাসী এলাকায় বিশেষত কুড়মালি এবং রাজবংশী ভাষাভাষী মানুষজনের বাস। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুটি ভাষাকে রাজ্যের সরকারি ভাষার মর্যাদা দিয়েছিলেন। তবে এখন কুড়মালি ভাষাকে অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি চলছে রাজ্যজুড়ে।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘সাঁওতালি ভাষাকে অষ্টম তফসিলে জায়গা দেয়নি তৎকালীন কংগ্রেস। অটল বিহারী বাজপেয়ীজি ছিলেন। আপনাদের ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে যদি কেউ স্বীকৃতি দিয়ে থাকে তাহলে সেটা বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীর উপরে ভরসা রাখুন। অবশ্যই সংকল্পপত্রের প্রতিশ্রুতি রাখব। কর্মীদের বিরুদ্ধে যত মামলা হয়েছে, সব প্রত্যাহার করা হবে। আর দ্রুত সেই প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং দ্রুত শেষও হবেই।”