ট্রেনে ফেলে যাওয়া ব্যাগে ৭ লক্ষের সোনা, শেওড়াফুলি জিআরপির তৎপরতায় উদ্ধার
সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়, হুগলি:
অসাবধানতাবশত ট্রেনে ফেলে নেমেছিলেন গয়না ভর্তি ব্যাগ। তাতে ছিল প্রায় সাত লক্ষ টাকার সোনার অলঙ্কার। মূল্যবান সম্পদ হারিয়ে কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন সুমনা মণ্ডল। কিন্তু হাওড়া ও শেওড়াফুলি জিআরপির দ্রুত তৎপরতায় শেষ পর্যন্ত গয়না-সহ ব্যাগ ফিরে পেলেন ওই তরুণী। রেল পুলিশের এই দায়িত্বশীল ভূমিকায় স্বস্তি ফিরল তাঁর পরিবারেও।
ঘটনাটি তারকেশ্বর-হাওড়াগামী লোকাল ট্রেনের। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ট্রেনে যাত্রা করার সময়ে হুগলির কামারকুণ্ডু স্টেশনে নেমে পড়েন সুমনা। কিন্তু ততক্ষণে তাঁর হ্যান্ডব্যাগটি ট্রেনের কামরায় পড়ে রয়েছে। স্টেশনে নামার পর বিষয়টি বুঝতে পেরেই মাথায় হাত পড়ে তাঁর। কারণ, ব্যাগে ছিল এক জোড়া সোনার চুড়ি, ওজন প্রায় ৪০ গ্রাম; এক জোড়া কানের দুল, ওজন ৩ গ্রাম এবং দুটি লকেট, ওজন ৫ গ্রাম। সব মিলিয়ে প্রায় ৪৮ গ্রাম সোনার গয়নার আনুমানিক মূল্য সাত লক্ষাধিক টাকা।
ব্যাগ হারানোর বিষয়টি জানিয়ে রেল পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। হাওড়া জিআরপি থেকে শেওড়াফুলি জিআরপি থানায় খবর পৌঁছতেই শুরু হয় তৎপরতা। ট্রেনটি শেওড়াফুলি স্টেশনে পৌঁছলে নির্দিষ্ট কামরায় তল্লাশি চালান রেল পুলিশকর্মীরা। শেষ পর্যন্ত উদ্ধার হয় গয়নাভর্তি ব্যাগটি।
সুমনা মণ্ডল বলেন, ‘আমি কামারকুণ্ডু স্টেশনে ট্রেনে ব্যাগ ফেলে নেমে পড়ি। ব্যাগে ৪৮ গ্রাম সোনার গয়না ছিল, যার মূল্য প্রায় সাত লক্ষ টাকা। শেওড়াফুলি জিআরপি থানায় জানাই। জিআরপি তৎপরতার সঙ্গে ব্যাগটি উদ্ধার করে দেয়। কৃতজ্ঞতা জানাই শেওড়াফুলি জিআরপিকে।’
মূল্যবান সম্পদ হারানোর আশঙ্কা কাটিয়ে রেল পুলিশের তৎপরতায় গয়না ফিরে পাওয়ার এই ঘটনায় ফের সামনে এল দায়িত্বশীল পুলিশি উদ্যোগের ইতিবাচক দিক।