ব্রেকিং

Dengue: পুজোর মুখে ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গু! আক্রান্তের নিরিখে প্রথম স্থানে মুর্শিদাবাদ, দ্বিতীয় কলকাতা

Sunday, 13 September 2026 at 16:19 Superadmin
Share
Dengue: পুজোর মুখে ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গু! আক্রান্তের নিরিখে প্রথম স্থানে মুর্শিদাবাদ, দ্বিতীয় কলকাতা
Dengue

বন্দে মাতরম সংবাদ: ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গু (Dengue) । রাজ্যজুড়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পুজোর মুখে ডেঙ্গুর বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগে স্বাস্থ্য দফতর (Health Department) । ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের ৮৫টি ব্লক, ২৭৮টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও ২৯টি পুরসভাকে ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। পুজোর প্যান্ডেলেও নজরদারি চালানো হচ্ছে। এর জন্য পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর।


ডেঙ্গুর মশা মূলত আইসক্রিমের ফাঁকা কাপ, চায়ের ভাঁড়, ডাবের খোলা, বাড়ির বাগান বা ছাদে রাখা টবের জমা জলে জন্মে থাকে। এই সমস্ত জিনিসগুলি যাতে বাড়ির আশেপাশের জায়গায় জমে না থাকে, সেইদিকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি পুরসভার পক্ষ থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়েও নজরদারি চালানো হচ্ছে। বাড়ির চৌবাচ্চা, ট্যাঙ্ক ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ঢাকনার ব্যবস্থা না করতে পারলে, মশারি বা জাল দিয়ে ঢেকে দিতে বলা হয়েছে। আবর্জনার স্তূপ থেকে যাতে মশার উৎপত্তি হতে না পারে, তাও দেখা হচ্ছে।


প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র, মেডিক্যাল কলেজ সহ আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দিরে নিয়মিত ডেঙ্গুর পরীক্ষা শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুকুর, নালা, ডোবা, শুকনো খাল, কুয়ো যেগুলি নিয়মিত ব্যবহার করা হয় না, সেইসঙ্গে কলকারখানাতেও নজরদারি চালাচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর। গাইডলাইন মেনে লার্ভিসাইড ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


স্বাস্থ্য দফতর হটস্পট নির্বাচনের দিকে গুরুত্ব দিয়েছে। একটি গ্রামে পাঁচজনের বেশি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে, কোনও গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০ জন বা তার বেশি ডেঙ্গু রোগী থাকলে তা হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। কোনও ব্লকে ৩০ জনের বেশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে তা হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত হবে। তেমনিভাবে শহরাঞ্চলের দিকের ওয়ার্ডে ৫ জনের বেশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে সেই ওয়ার্ডটিকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।


বর্তমানে রাজ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়েছে। সবথেকে বেশি আক্রান্ত মুর্শিদাবাদে। এর পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতার নাম। কলকাতার শিয়ালদহ, বড়োবাজার, টালিগঞ্জ, কসবা, ঢাকুরিয়া, সিঁথি, পাইকপাড়া এলাকায় একাধিক ডেঙ্গু আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়-১ ও ২ ব্লকে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।