দূষণের কবলে দিল্লি! নিষিদ্ধ পুরনো যানবাহন, ওয়ার্ক ফ্রম হোমের নির্দেশ
বন্দে মাতরম
সংবাদ
শীতের আগমন মানেই ফের দূষণে জেরবার হবে দিল্লি! অক্টোবরের মাঝামাঝি সময় থেকেই রাজধানীর বাতাসে মান ‘খারাপ’ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এই পরিস্থিতিতে দূষণ রুখতে রবিবার থেকেই দিল্লিতে জারি করা হয়েছে কড়া বিধিনিষেধ। নিষিদ্ধি করা হয়েছে পুরনো যানবাহন। সেইসঙ্গে সরকারি, বেসরকারি ৫০ শতাংশ কর্মীদের বাড়িতে কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমাতে দ্বিগুণ করা হয়েছে পার্কিং ফি। পাশাপাশি নিষিদ্ধ নির্মাণ কাজ সহ বাড়ির ভাঙার কাজ, সরকারি অফিসগুলির সময়সূচিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিএস৬ মানদণ্ড মেনে তৈরি নয় এমন যানবাহনের প্রবেশ ও চলাচল দিল্লিতে নিষিদ্ধ। ১ নভেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি, ২০২৭ পর্যন্ত বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। তবে জরুরি পরিষেবা বৈদ্যুতিক যানবাহন, সিএনজিচালিত যানবাহন, অ্যাম্বুল্যান্স ও দমকলের ক্ষেত্রে রয়েছে বিশেষ ছাড়। বিধিনিষেধ কার্যকর হচ্ছে কি না তা দেখার জন্য বিশেষ এনফোর্সমেন্ট টিম, অটোমেটিক নম্বর প্লেট রিকগনিশন (এএনপিআর) ক্যামেরা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত ‘ইন্টিগ্রেটেড কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার’ (আইসিসিসি)। নিয়ম অমান্য করলে পাঠানো হবে ই-চালান। আগেই দূষণ নিয়ন্ত্রণে গত ২১ অক্টোবর দিল্লিতে জারি হয় ‘গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান’ (জিআরএপি) ১।
নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ১ নভেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত দিল্লিতে নিষিদ্ধ সমস্ত নির্মাণকাজ এবং বাড়ি ভাঙার কাজ। তবে সুনির্দিষ্ট কিছু অত্যাবশ্যকীয় সরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে ছাড় দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যানজট কমাতে বিভিন্ন সরকারি অফিসে সমসসূচীতে পরিবর্তন করা হয়েছে। দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের অফিসগুলি সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ও দিল্লি সরকারের অফিসগুলি সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
দূষণ সার্টিফিকেট (পিইউসি) না থাকলে ১ নভেম্বর থেকে দিল্লির পেট্রল পাম্পগুলিতে জ্বালানি পাওয়া যাবে না। এই নিয়ম বাস্তবায়নের জন্য দিল্লির ৫০০টি পেট্রল পাম্পে এএনপিআর ক্যামেরা বসানো হয়েছে, যা গাড়ির নম্বর প্লেট ও অন্যান্য তথ্য স্ক্যান করবে।