সন্ধ্যা হলেই অন্ধকার, নদিয়ার নেতাজী সুভাষ সেতুতে পথবাতি লাগানোর আশ্বাস মন্ত্রীর
বন্দে মাতরম সংবা নিতুরিয়া: সন্ধ্যা ঘনালেই অন্ধকারে ডুবে থাকে নেতাজী সুভাষ সেতু। স্থানীয়রা দীর্ঘকাল ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে পথবাতির দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। সেতুতে পথবাতি লাগানোর আশ্বাস দিয়েছেন জেলার মন্ত্রী নদিয়ার চাঁদ বাউরি।
পুরুলিয়া জেলার নিতুরিয়া থানা এলাকায় অবস্থিত এই নেতাজি সুভাষ সেতু। দামোদর নদের উপর পুরুলিয়া ও পশ্চিম বর্ধমান দুই জেলার সংযোগকারী এই সেতুটি ২০০৪ সালে উদ্বোধন করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সেতুটির বর্তমান বয়স দুই দশকের কিছু বেশী। দীর্ঘদিন ধরে পথবাতি না থাকায় সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকারে নেমে আসে সেতুর উপর। ফলে সমস্যায় পড়েন পথচারীরা। পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তবর্তী শিল্পাঞ্চলের কাছাকাছি হওয়ায় সেতুটি আঞ্চলিক অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রত্যেকদিন শয়ে শয়ে যাত্রীবাহী ও মালবাহী যানবাহনের যাতায়ত এই সেতু দিয়ে। এছাড়াও বহু ছোট বড় গাড়ি রাঁচি, টাটা, পুরুলিয়া থেকে আসানসোল হয়ে কলকাতা যায় এই সেতুর উপর দিয়েই। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে পথবাতি না থাকায় অন্ধকারে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে গেছে। প্রায়শই ঘটছে ছোটবড় দুর্ঘটনা। বিশেষ করে রাতের সময় বাইক আরোহী ও ভারী যানবাহনের চালকদের জন্য সেতুটি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দফতর সেতুতে পর্যাপ্ত পথবাতির ব্যবস্থা করুক এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে জনসাধারণের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করুক।
রাজ্যের পূর্ত প্রতিমন্ত্রী তথা পাড়া বিধানসভার বিধায়ক নদীয়ার চাঁদ বাউরি সেতুতে পথ বাতি লাগানোর আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের নতুন সরকার। বিগত সরকারের আবর্জনা ধীরে ধীরে সাফ হচ্ছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে আগামীদিনে নেতাজী সেতুতে অন্ধকার দূর করতে পথবাতি লাগানো হবে।’