Zubeen Garg: জুবিনের মৃত্যু বার্ষিকীতে রক্তদানের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অসমের মুখ্যমন্ত্রীর
বন্দে মাতরম, সংবাদ: জনপ্রিয় গায়ক, অসমের ভূমিপুত্র জুবিন গর্গের মৃত্যু বার্ষিকীতে রক্তদানের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। ১৯ সেপ্টেম্বর ছিল জুবিনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। গত বছর শো করতে গিয়ে এই দিনে সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভ করার সময় মর্মান্তিক মৃত্যু হয় জুবিনের। তাঁর এই অকালপ্রয়াণে গোটা অসম ছিল শোকাচ্ছন্ন।
আজ বিশেষ দিনটিকে সামনে রেখে বিজেপির কার্যালয়ে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে বিজেপি কর্মীরা। এই শিবিরে যোগ দিয়ে জুবিনের উদ্দেশে রক্তদান করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।
সঙ্গীতশিল্পী জুবিন গর্গ ছিলেন অসমের ভূমিপুত্র। অসমীয়া সংস্কৃতির সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন তিনি। ২০২৫ সালে মর্মান্তিকভাবে শেষ হয়ে যায়, জুবিন গর্গের জীবন। জুবিনকে হারিয়ে ভেঙে পড়ে গোটা অসম। সঙ্গীত ও রাজ্যের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান ভক্ত, শিল্পী এবং সর্বস্তরের মানুষ।
অসমীয়া, হিন্দি ও অন্যান্য ভারতীয় ভাষার সঙ্গীতে নিজের স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর ও কাজের জন্য পরিচিত জুবিন গর্গ দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে কর্মজীবন অতিবাহিত করেছেন। গান গাওয়ার পাশাপাশি তিনি সুর সৃষ্টি, গান লেখা, অভিনয় এবং চলচ্চিত্র নির্মাণের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
অসমের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে গর্গ-এর অবদান এবং তাঁর শ্রোতাদের সঙ্গে তাঁর যে আবেগঘন সম্পর্কের কথা আগেও বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিনন্ত বিশ্ব শর্মা।
২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে আকস্মিক মৃত্যু হয় জুবিন গার্গের। কেটে গেছে একটা বছর। জুবিনকে ভোলেনি অসম। দীর্ঘ ৩৩ বছরের কর্মজীবনে বিভিন্ন ভাষায় গান গেয়ে নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছিলেন জুবিন।
বাংলার সঙ্গেও জুবিনের ছিল গভীর সম্পর্ক। বাংলা ভাষার একাধিক গান ও চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। নিজেকে ‘আধা বাঙালি’ বলতে ভালোবাসতেন। কলকাতার মানুষ ও বাংলার খাবারের প্রতিও বিশেষ টান ছিল তাঁর। পশ্চিমবঙ্গকে নিজের ‘দ্বিতীয় বাড়ি’ বলেও উল্লেখ করেছিলেন জুবিন।